চিলমারীতে পানি ২৪ ঘণ্টা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে উপজেলা সদরসহ প্রায় ৪০টি গ্রাম তলিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে

0
595

ঠগেরহাট এলাকার হাফিজুর বলেন বুধবার সন্ধ্যায় হঠাতেই বুড়ি তিস্তা দিয়ে পানির প্রবেশ করে কয়েক ঘণ্টায় ঠগেরহাট, বুরুজের পাড়, নতুন গ্রাম, গৌল বাড়ি, উঁচা ভিটা, মন্ডলপাড়াসহ প্রায় ১০টি প্লাবিত হয়েছে। কাঁচকোল এলাকার জাহাঙ্গীর বলেন, গত বছর বন্যার সময় চিলমারী বন্যা রক্ষা বাঁধ সড়ক ভেঙে গেলেও তা মেরামত না করায় আকস্মিকভাবে ভাঙ্গা স্থান দিয়ে পানি ঢুকে গ্রামের গ্রাম তলিয়ে যাচ্ছে। পানি এভাবে ২৪ ঘণ্টা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে উপজেলা সদরসহ প্রায় ৪০টি গ্রাম তলিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এলাকাবাসী জানায় পানির প্রবল স্রোতে সড়ক ভেঙে যাওয়ায় উপজেলা সদরের সাথে কাঁচকোলসহ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রানীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, বুড়িতিস্তা দিয়ে গত বছরের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ভাঙ্গা সড়ক দিয়ে আকস্মিক ভাবে পানি প্রবেশ করায় কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি কমতে শুরু করলেও ( বেলা১২ টা পর্যন্ত) চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৬ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।আমাদের প্রতিনিধি ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও আকস্মিকভাবে নতুন করে ১০ গ্রাম প্লাবিত। ভেঙে গেছে সড়ক। বন্ধ হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্লাবিত হতে পারে উপজেলা সদর। জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে কমতে শুরু করলেও এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে। এমন সময় আকস্মিকভাবে বুড়ি তিস্তা দিয়ে পানি প্রবেশ করায় নিমিষেই তলিয়ে গেছে ১০টি গ্রাম। পানির প্রবল স্রোতে ভেঙে গেছে চিলমারী সদর ঠগেরহাট হয়ে কাঁচকোল বাজার সড়কসহ আশপাশ রাস্তা। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে গর্তের বন্ধ হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।