সমিতির কিস্তি না পেয়ে কাঠাল খেয়ে প্রতিশো’ধ!

0
760
সমিতির কিস্তি না পেয়ে কাঠাল খেয়ে প্রতিশো’ধ!

করো’না ভা’ইরাস সংক্র’মণ এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে দোকান-পাট ব’ন্ধ করে দেয়া হয়েছে। লোকজন চলাচলও সীমিত করে দেয়া হয়েছে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষদের ক’র্মসংস্থান কমে গেছে। এতে দিনমজুর-ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় নেই বললেই চলে। এমন প’রিস্থিতিতেও বিভিন্ন স্থানে চলছে এনজিওর ঋণ আদায় কার্যক্রম। এতে এনজিওর ঋণ গ্রহণকারী দরি’দ্র মানুষ এখন বি’পাকে। তাদের দা’বি প’রিস্থিতি স্বা’ভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঋণ আদায় স্থগিত করার। এদিকে নাটোর, রায়পুর, রামগঞ্জ, কলাপাড়া ও অভ’য়নগরে ঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত রাখার নির্দে’শ দিয়েছে প্রশা’সন। ভূঞাপুরে এনজিওর কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। করো’না ভা’ইরাস আত’ঙ্কে হাট-বাজারে মানুষ নেই। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের আয় নেই। খেটে খাওয়া মানুষেরা হয়ে পড়ছেন বেকার। এমতাবস্থায় এনজিওর সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তির টাকা জোগাড় দূ’রের কথা খাবার কেনার টাকা জোগাড়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। উপজে’লায় শতাধিক এনজিও নিয়মিত ঋণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এসব এনজিও থেকে কয়েক হাজার মানুষ ঋণ সংগ্রহ ক’রেছেন। এতে ঋণগ্রহীতারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ফলদা বাজার হাটের মুদি দোকানদার হাসান জা’নান, হাটে লোকজন প্রয়োজন ছাড়া আ’সছে না। বেচাকেনা খুবই কম। ইভাবে চললে সংসার চালান খুবই ক’ঠিন।