‘রামু উপজেলা নারী উন্নয়ন ফোরাম’ উখিয়া হলদিয়া পালং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহ আলমের শাস্তির দাবি।কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।

0
19

কক্সবাজার রামু উপজেলার নারী উন্নয়ন ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত “২০০৯ সালে সংশোধিত গনপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও)-১৯৭২ অনুসারে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি সহ তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সকল কমিটিতে ২০২০ সালের মধ্য ৩৩% নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কথা ছিল। কিন্তু সে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। তবে কবে নাগাদ ৩৩% নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণ বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেধেঁ দেওয়া হয়নি। জেন্ডারভিত্তিক ক্ষমতায়নের জন্য তারা স্মারকলিপি প্রদান করেন।গতকাল ০৫ নভেম্বর ২০২০ ইংরেজি বৃহস্পতিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় রামু উপজেলা পরিষদ চত্বর সংলগ্ন সড়কে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়। মানববন্ধন কর্মসুচি পালন শেষে স্থানীয় প্রশাসন,রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি,নির্বাচন কমিশন ও প্রেসক্লাব কতৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। উক্ত মানববন্ধন ও স্মরকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত মহিলা সদস্যগণ,নারী প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিকবৃন্দ, বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।উক্ত মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে রামু উপজলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি আফসানা জেসমিন পপির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভিপিও রওশন আরা,বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আছাদুজ্জামান লিয়ন উপজেলা সমন্নয়ন কারী। এছাড়া মুক্ত আলোচনার শুরুতেকোরআন তেলাওয়াত করেন, আনজুম আরা বেগম, বক্তব্য রাখেন নয়ন রনি, সুলতানা রাজিয়া রুমি, লাকী আক্তার, রাজেদা খানম, অন্জনা শর্মা, নিলা চক্রবর্তী, রোজিনা আক্তার প্রমুখ।আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, তারা কর্মক্ষেত্রে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়। বিশেষ করে তারা তাদের অধিকার সঠিক ভাবে পাচ্ছেন না,তাদের কর্মক্ষেত্রে জেন্ডার সমতার পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি বলে উল্লেখ করেন। নারীর প্রতি সকল প্রকার সহিংসতা প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে তারা আলোচনা করেন।তাছাড়া সম্প্রতি সময়ে উখিয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন্নেসা বেবি অধিকার বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে হলদিয়া পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কথিত (অধ্যক্ষ) শাহ আলম কর্তৃক শ্লীলতাহানি ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন। মানববন্ধনে বক্তারা উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা অনতিবিলম্বে শাহ আলম চেয়ারম্যানের শাস্তির দাবি জানান।বক্তারা আরো বলেন, একজন সামান্য ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সিনিয়র একজন ভাইস চেয়ারম্যান এমন নির্লজ্জ আচরণ করার সাহস কোথায় পেল। তার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের প্রতি আমাদের সশ্রদ্ধ সম্মান রয়েছে। তার ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ড সুশীল সমাজকে ভাবিয়ে তুলছে। একের পর এক এমন ঘটনা ঘটিয়েছে যাচ্ছে তা ভেবেচিন্তে দেখার সময় হয়েছে। আসলে তার খুটির জোর কোথায়? এই প্রশ্ন সকলের।