আম্ফানে খুলনায় ৮৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত

0
61

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে খুলনা জেলায় মাধ্যমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ৮৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৫৭ লাখ ৮ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসের প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে এ সব তথ্য। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে জানানো হয়েছ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান খুলনায় আঘাত হানে গত ২০ মে। উপকূলীয় এলাকার জনগণ যাতে নিরাপদে থাকতে পারে সেজন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাত থেকে বাদ যায়নি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও। 

খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ি, জেলার সকল উপজেলায় নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ৬৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেখানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ ৮ হাজার টাকা। জেলায় ছয়টি উপজেলার দাখিল ও কারিগরী পর্যায়ের ২৩টি প্রতিষ্ঠানে ক্ষয়ক্ষতি ধরা হয়েছে ৪০ লাখ টাকা। জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে টিনের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে। শ্রেণি কক্ষ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। দরজা-জানালা ভেঙ্গে গেছে। প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা গাছ পড়ে গেছে। বিধ্বস্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানের সোলার প্যানেল, এসি থেকে শুরু করে ওয়াইফাই সুবিধা, এমনকি ল্যাবের টিনের চাল। উড়ে গেছে জেলার ফুলতলা উপজেলার রাড়ীপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঁচটি রুম। ভেঙ্গে গেছে ভবনের পিলারও।

খুলনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খোন্দকার মো. রুহুল আমিন বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণও নিরূপণ করা হয়েছে। সে হিসেবে জেলায় তার আওতাধীন ৮৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনুমানিক দেড় কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো মেরামতের জন্য ইতোমধ্যে ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নিকট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ সম্বলিত তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে।