পিসিবি হতে চায় বিশ্বসেরা ক্রিকেট বোর্ড

0
22

বিশ্বসেরাদের কাতারে পৌঁছাতে পাঁচশালা পরিকল্পনা করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)

বিশ্বসেরা হওয়ার স্বাদ সেই ১৯৯২ সালেই প্রথম পেয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। ইমরান খানের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া–নিউজিল্যান্ডে হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপটা জিতেছিল পাকিস্তানিরা। ১৭ বছর পর আরেক খান, ইউনিস খানের নেতৃত্বে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান। আইসিসির টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়েও একবার দুই সপ্তাহের জন্য বিশ্বের এক নম্বর দল হয়েছিল পাকিস্তান। সেই দলটির ক্রিকেট বোর্ড এবার পাখির চোখ করেছে সংগঠন হিসেবেও ক্রিকেট বিশ্বের সেরা হওয়াতে।

আজ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) পাঁচশালা এক লিখিত পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। যে পরিকল্পনার মূল সুর ‘বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকর ও বিশ্বস্ত’ সংগঠন হিসেবে নিজেদের চেনানো। পিসিবি জানিয়েছে বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে। যে পরিকল্পনায় জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, নৈতিকতা ও পেশাদারিকে মূলমন্ত্র করা হয়েছে।

‘আমাদের জাতিকে অনুপ্রাণিত ও ঐক্যবদ্ধ করার পাঁচশালা পরিকল্পনা’—বাহারি এই শিরোনামের ঘোষণায় পাকিস্তানের পুরুষ ও নারী জাতীয় দল এবং বয়সভিত্তিক দলগুলোর উন্নতি ও তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেটের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জোর দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। তবে কীভাবে পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা হবে সেটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে এক বিবৃতিতে পিসিবি বলেছে পরিকল্পনার পুরো সময়জুড়ে প্রতি মাসেই অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

পাঁচশালা পরিকল্পনা উন্মোচন করতে গিয়ে পিসিবির প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম খান জানিয়েছেন গত বছরই কাজ শুরু করেছিলেন তাঁরা, ‘আমরা ২০১৯ সালে পাঁচশালা পরিকল্পনা বানানোর পর পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিলাম। ফেব্রুয়ারিতে সেই অনুমোদন পাওয়া গেছে। আর এখন আমাদের মনে হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়ার সময় এসেছে।’

ওয়াসিম জানান ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায় পিসিবি, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি সরল, রোমাঞ্চকর ও অর্জনযোগ্য একটি পথরেখা সাজানোর যাতে স্বচ্ছতার সঙ্গে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়। লক্ষ্যটা শুধু পিসিবির কর্মচারিদের জন্যই নয়, এটি সমর্থক ও ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই করা।’

২০১৯ থেকে ২০২৩, এই পাঁচ বছরের জন্যই পরিকল্পনা সাজিয়েছে পিসিবি। যে পরিকল্পনায় আছে বিশ্বে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা, পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরানো, হাই পারফরম্যান্স ফ্যাসিলিটি বৃদ্ধি করা ও নারী ক্রিকেটে জোর দেওয়াও।